মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সাম্প্রতিক কর্মকান্ড

 

সাম্প্রতিক কর্মকান্ড সমূহ

১। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রবি, খরিপ-১ ও খরিপ-২ মৌসুমের রাজস্ব খাতের আওতায় ফসলের জাত ও প্রযুক্তি প্রদর্শনী বাস্তবায়ন ও পরিকল্পনা।

২। NATP-2 এর আওতায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের Targeting, Social mobilization, Group Formation, Visioning and Planning এর উপর প্রশিক্ষণ প্রদান।

২। খামার পর্যায়ে পানি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তির মার্ধমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ২টি ভূগর্ভস্থ সেচ নালা নির্মানাধীন। 

 

এছাড়া এই জেলার কৃষির উন্নয়নের জন্য  বিশেষভাবে কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে , সেগুলো নিচে আলোচনা করা হল

 

প্রকল্প

 

প্রকল্পের নাম:              

 ১. চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট  বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্প ।

২. চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তৈল ও পেঁয়াজ  বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্প ।

. এগ্রিকালচার এক্সটেনশন কম্পোমেন্ট(এইসি) প্রকল্প।

৪. উপজে্লা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষন প্রকল্প।

৫. কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প  ৬. বিএসএমএমইউ-কর্ণেল এফএফপি প্রকল্প

৭. বিনা ময়মনসিংহ কর্তৃক স্থাপিত প্রদর্শনী।

৮. গম গবেষনা কেন্দ্র নশিপুর, দিনাজপুর কর্তৃক স্থাপিত গমের জাত প্রদর্শনী।

 

প্রকল্প সমুহের বিবরণ:

  

১. নাম: চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্প : 

              প্রকল্পের উদ্দেশ্য: আধুনিক জাতের বীজ উৎপাদনের মাধ্যমে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বীজের চাহিদা  পুরণসহ ফসলের   উৎপাদন 

                                   বৃদ্ধি করা।

              মেয়াদকাল: জুলাই ২০০৮ হতে জুন ২০১৩ পর্যন্ত

              প্রকল্পভুক্ত উপজেলা: জেলার সকল উপজেলা

              উপকারভোগীর সংখ্যা: ১১৫৭০ জন।

              প্রদর্শনীর সংখ্যা: ১১৫৭০ টি

              প্রশিক্ষণ:

                       কর্মকর্তা সংখ্যা: ৩৬০ জন (জনপ্রতি প্রশিক্ষণ ভাতা-২০০টাকা)

                       কৃষক সংখ্যা: ১১৫৭০ জন (জনপ্রতি প্রশিক্ষণ ভাতা-১২০)।

              অর্থের উৎস: জিওবি।

 

২. নাম: চাষী পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তৈল ও পেয়াজ বীজ উৎপাদন, সংরক্ষন ও বিতরণ প্রকল্প :

             প্রকল্পের উদ্দেশ্য: উন্নতমানের ডাল, তৈল ও পেয়াজ বীজ উৎপাদন, সংরক্ষন ও বিতরণের মাধ্যমে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বীজের

                                  চাহিদা পুরণসহ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

             মেয়াদকাল: জুলাই ২০০৮ হতে জুন ২০১৩ পর্যন্ত

             প্রকল্পভুক্ত উপজেলা: জেলার সকল উপজেলা

             উপকারভোগীর সংখ্যা: ২৫১০ জন

             প্রদর্শনীর সংখ্যা: ২৫১০ টি

             প্রশিক্ষণ:

                     কর্মকর্তা সংখ্যা: ১৮০ জন (জনপ্রতি প্রশিক্ষণ ভাতা- ২০০ টাকা)

                     কৃষক সংখ্যা: ২৫১০ জন (জনপ্রতি প্রশিক্ষণ ভাতা-১২০ টাকা)

             অর্থের উৎস: জিওবি

 

৩. নাম: এগ্রিকালচার এক্সটেনশন কম্পোমেন্ট(এইসি) প্রকল্প:

           প্রকল্পের উদ্দেশ্য: কৃষকদের কয়েক মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, 

                                বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন, উপকারী পোকামাকড় সংরক্ষণ ও কৃষকদের সংগঠিত করার মাধ্যমে কৃষি ক্লাব গঠন।

           মেয়াদকাল: আইপিএম - জুলাই ১৯৯৮ হতে চলমান।

                           আইসিএম - জুলাই  ২০০৭ হতে ২০১২ পর্যন্ত।

           প্রকল্পভুক্ত উপজেলা: সকল উপজেলা

           উপকারভোগীর সংখ্যা: ২৭৯৫০ জন

           কৃষক মাঠ স্কুলের সংখ্যা: আইপিএম- ৩৯৮ টি (প্রতিটি স্কুলে কৃষক ও কৃষাণী সংখ্যা- ২৫ জন)।

                                           আইসিএম- ৩৬০ টি (প্রতিটি স্কুলে কৃষক ও কৃষাণী সংখ্যার- ৫০ জন)।

           প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃষক সংখ্যা: ১৬৯৬০ জন

           প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃষাণীর সংখ্যা: ১০৯৯০জন

           ক্লাব সংখ্যা:

                        আইপিএম:৩১৯ টি

                        আইসিএম:২৯৭ টি

           অর্থের উৎস: জিওবি ও ডানিডা।

 

৪. নাম: উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ প্রকল্প:

         প্রকল্পের উদ্দেশ্য: কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি হাতে কলমে শিক্ষাদানের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি।

         মেয়াদকাল: জুলাই ২০০৯ হতে জুন ২০১৩ পর্যন্ত

         প্রকল্পভুক্ত উপজেলা: সদর, কাজিপুর ও শাহজাদপুর।

         উপকারভোগীর সংখ্যা: ১১,২৫০ জন

         প্রদর্শনীর সংখ্যা: ১৫ টি

         কৃষক প্রশিক্ষণ : ১১,২৫০ জন (জনপ্রতি প্রশিক্ষণ ভাতা-২০০+২০০=৪০০ টাকা)

         অর্থের উৎস: জিওবি

 

৫. নাম: কৃষি যন্রপাতি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প:

         প্রকল্পের উদ্দেশ্য: আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণ ও কমখরচে ফসল উৎপাদন বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধিকরণ।

         মেয়াদকাল: জুলাই ২০১০ হতে জুন ২০১৫ পর্যন্ত

         প্রকল্পভুক্ত উপজেলা: উল্লাপাড়া

         উপকারভোগীর সংখ্যা: ১৭৫২ জন 

         প্রদর্শনীর সংখ্যা: ১২ টি

         কৃষক প্রশিক্ষণ: ১৭৫২ জন (জনপ্রতি প্রশিক্ষণ ভাতা-২০০টাকা) 

         অর্থের উৎস: জিওবি

 

 

৬. বিএসএমএমইউ-কর্ণেল এফএফপি প্রকল্প:

        প্রকল্পের উদ্দেশ্য: ডলোডুন ব্যবহারের উপকারীতা সম্মধ্যে কৃষকদের হাতে কলমে শিক্ষাদান ও ফসলের আশানুরুপ ফলন বৃদ্ধি।

        মেয়াদকাল: জুলাই ২০১০ হতে জুন ২০১৩ পর্যন্ত।

        প্রকল্পভুক্ত উপজেলা: রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও উল্লাপাড়া।

        উপকারভোগীর সংখ্যা: ৬৬ জন

        প্রদর্শনীর সংখ্যা: ৬৬টি

        কৃষক প্রশিক্ষণ : ৬৬ জন

        অর্থের উৎস: বিএসএমএমইউ ও কর্ণেল এফএফপি।

 

৭. বিনা ময়মনসিংহ কর্তৃক স্থাপিত সরিষা প্রদর্শনী:

       প্রকল্পের উদ্দেশ্য: বিনা কর্তৃক উদ্ভাবিত নতুন জাত সমুহ সম্প্রসারণ।

       মেয়াদকাল: ২০০৮ হতে চলমান

       প্রকল্পভুক্ত উপজেলা: সদর, তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও বেলকুচী।

       উপকারভোগীর সংখ্যা: ২৬৬ জন

       প্রদর্শনীর সংখ্যা: ২৬৬ টি

       কৃষক প্রশিক্ষণ: ২৬৬ জন

       অর্থের উৎস: বিনা ময়মনসিংহ।

 

৮. গম গবেষনা কেন্দ্র, নশিপুর, দিনাজপুর কর্তৃক স্থাপি্ত গম প্রদর্শনী:

       প্রকল্পের উদ্দেশ্য: সদর, কাজিপুর, শাহজাদপুর ও বেলকুচী।

       মেয়াদকাল: ২০০৯ হতে চলমান

       প্রকল্পভুক্ত উপজেলা: সদর, কাজিপুর, শাহজাদপুর ও বেলকুচী।

       প্রদর্শনীর সংখ্যা: ৫৮ টি

       কৃষক প্রশিক্ষণ : ৫৮ জন

       অর্থের উৎস: গম গবেষনা কেন্দ্র, নশিপুর, দিনাজপুর।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter