মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আগামী ৫ বছরের সম্ভাব্য উন্নয়ন পরিকল্পনা ( ২০১৮-২০২২ খ্রিঃ )

 

১। আউশ মৌসুমে অত্র জেলার আউশ আবাদের ৯০% এলাকায় স্থানীয় বোনা আউশ জাতের আবাদ হয়। এতে  ফলন কম হয় । ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উফশী আউশ আবাদ এালাকা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। তাই আউশ ধানের নতুন নতুন জাত সম্প্রসারণ করে উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

২। অত্র জেলার প্রায় ৮১,০০০ হেঃ  এলাকায় পাটের আবাদ হয়ে থাকে । পাটের আঁশের গুনগত মান ভাল কিন্তু চাষীরা ভারতীয় বীজ  জেআরও-৫২৪ জাত ব্যবহার করে । তাই স্থানীয়ভাবে কৃষকদের নাবী পাট বীজ উৎপাদন কর্মসূচী এর মধ্যমে পাট বীজ উৎপাদন বৃদ্ধি করা ও আগামী ৫ বছরের মধ্যে পাট বীজ উৎপাদনে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা ।

৩। অত্র জেলায় ব্যাপক পেঁয়াজের আবাদ হয় এবং প্রচুর ভাল বীজ উৎপাদন হয় কিন্তু বীজ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কোন ব্যবস্থা নাই। পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের এলাকা বৃদ্ধি করে অধিক বীজ উৎপাদন করা।

৪। ফরিদপুর জেলার ব্যাপক এলাকায় মসুরের আবাদ হয় । গোড়া পচা এবং উইল্ট রোগের জন্য ফসলের ক্ষতি হয় এবং উৎপাদন অনেক কম হয় বলে আবাদ এলাকা কমে যাচ্ছে । বীজ বপনের সময় বীজ শোধন করে আবাদ করলে এ রোগ এর আক্রমন থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। চাষীদের কে বীজ শোধনে উদ্বুদ্ধ করে আবাদ এলাকা বৃদ্ধি

৫। অত্র জেলায় দিন দিন ছোলার আবাদ কমে যাচ্ছে । পডবোরার ও বিজিএম নামক ছত্রাক রোগ এর ব্যাপক আক্রমনে ফলন হ্রাস পায় । বীজ বপনের সময় বীজ শোধন করে আবাদ করলে এ রোগ এর আক্রমন থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। চাষীদের কে বীজ শোধনে উদ্বুদ্ধ করে আবাদ এলাকা বৃদ্ধি করা ।

৬। গ্রীস্মকালীন টমেটোর আবাদ অত্র এলাকায় এখনো জনপ্রিয় হয়ে উঠে নাই। উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে সীমিত আকারে চাষ করানো হচ্ছে। গ্রীস্মকালীন টমেটোর আবাদ বৃদ্ধি করার যথেষ্ট সুয়োগ রয়েছে। আবাদ এলাকা বৃদ্ধির জন্য কর্মসূচী নেয়া হচ্ছে।

৭। ভূট্টা ফসলের হাইব্রিড জাত সম্প্রসারণের মাধ্যমে আবাদী এলাকা ও উৎপাদন বৃদ্ধি করা। ফরিদপুর জেলার চরাঞ্চলে ভূট্টা আবাদ এলাকা বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। উৎপাদন ও আবাদী এলাকা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মসূচী গ্রহণ করা ।

৮। শাক-সবজী উৎপাদনে অত্র জেলা কিছুটা  পিছিয়ে থাকলেও  শাক-সবজী উৎপাদনের এলাকা বৃদ্ধির যথেষ্ট সুয়োগ রয়েছে। আগাম সবজী চাষ , উন্নত জাতের শাক-সবজীর আবাদ , সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে পোকা দমন, অজৈব বালাইনাশক ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণ,সবজী ক্ষেতে  ভার্মি কম্পোষ্ট এর ব্যবহার করানো ইত্যাদি কর্মসূচী গ্রহণের মাধ্যমে সবজীর উৎপাদন বৃদ্ধি।

৯। ফলবাগান স্থাপনে অত্র জেলার কৃষকগন অনেকটাই উদ্বুদ্ধ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে  কৃষকগন আম, পেয়ারা, লিচু বাগান স্থাপন করছেন। আগামী ৫ বছরে ফল বাগানের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। অপ্রচলিত ফল বিশেষ করে ড্রাগন ফল এর আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter